এআই যুগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের যেভাবে চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া উচিত
আমাদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দশকের পর দশক ধরে শিক্ষার্থীদের একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা, সুশৃঙ্খল শিক্ষা এবং নিয়মানুবর্তিতা শেখানো হচ্ছে। এসব অবদানকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু এখন সময় এসেছে সেই ভিত্তির ওপর নতুন একটি ভিত্তি যোগ করার।
আমি যখন কর্মজীবনের শুরুতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি, তখন গ্রাহকদের জানতে ও বুঝতে মাসের পর মাস মাঠপর্যায়ে গবেষণা করেছি। সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমি শিখেছি কীভাবে সঠিক প্রশ্ন করতে হয়, কীভাবে পরিবর্তনের ধারা বা নকশা চিনতে হয়। আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা মাধ্যম সেই সব তথ্য আমাদের সামনে এনে দিচ্ছে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে। ফলে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দক্ষতাকে বলা যায় সঠিক প্রশ্ন করার ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতাটি এখনো মানুষকেই অর্জন করতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মূলত তরুণদের মনে সেই জিজ্ঞাসার শক্তিটাই তৈরি করে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা মাধ্যমের প্রয়োগ ও ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের এখনো কিছুটা দুর্বলতা আছে। পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ যত বাড়াবে, শিক্ষার্থীরা তত দ্রুত এর ভেতরের বিষয়টি বুঝবে।